তিন মাসে বার্সার ক্ষতি ৩ হাজার কোটি টাকা! তিন মাসে বার্সার ক্ষতি ৩ হাজার কোটি টাকা! – SportsTour24

স্পোর্টসট্যুর ডেস্ক :: ক্ষতি কম-বেশি সবারই হয়েছে। কিন্তু স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনার ক্ষতির পরিমাণটা অনেক বড় অঙ্কের। মহামারি করোনাভাইরাসের ধাক্কায় লা লিগার দলটির ক্ষতি হয়েছে ৩০০ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি)।

 

মহামারি থেকে বাঁচতে মূলত তিন মাস ফুটবলের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এ ক্ষতির মুখে পড়েছে লিওনেল মেসির দল।

 

বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ বলছে, মহামারিকালে তাঁদের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ইউরো। এ বিশাল অঙ্কের ক্ষতির কারণে ক্লাব ও খেলোয়াড় সংক্রান্ত কিছু পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, নতুন মৌসুমের জন্য বাজেটের আকারও করতে হয়েছে ভেবেচিন্তে।

 

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, বিশ্বের প্রথম ক্লাব হিসেবে বার্ষিক রেভিনিউ সংগ্রহে ১ বিলিয়ন ইউরো আয়ের মাইলফলকের দিকে ছুটছিল বার্সেলোনা। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাস এলোমেলো করে দেয় সব। করোনার ধাক্কায় গেল মার্চে শুধু স্পেনেই নয়, বন্ধ হয়ে যায় বিশ্বের সব দেশের ফুটবল। মে মাস অবধি বন্ধ ছিল ফুটবলের সব ধরনের কার্যক্রম। জুনে দর্শকবিহীন স্টেডিয়ামে ফের শুরু হয় লা লিগাসহ স্প্যানিশ ঘরোয়া ফুটবল।

 

কিন্তু ক্ষতি যা হওয়ায় আগের তিন মাসেই হয়ে যায়। একদিকে খেলা বন্ধ থাকায় ম্যাচ থেকে কোনো আয় হয়নি বার্সেলোনার। লকডাউনের কারণে বার্সার জাদুঘর ও অফিসিয়াল শপও বন্ধ ছিল। ফলে এসব খাতে শত শত কোটি টাকার ক্ষতি হয় বার্সার। এছাড়া দলবদলের বাজারে বার্সা থেকে যেসব খেলোয়াড়কে অন্য ক্লাব কিনেছে, তা থেকে বার্সা খুব বেশি আয় করতে পারেনি। কেননা বিশ্বের সব ক্লাবই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দলবদলের বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কোনো ক্লাবই খুব বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে কাউকে দলে ভেড়ায় নি।

 

সবমিলিয়ে যে ক্ষতির মুখে পড়েছে বার্সেলোনা, তা থেকে উত্তরণের জন্য তাঁরা নানা পরিকল্পনা আঁটছে। নেওয়া হচ্ছে জরুরি সিদ্ধান্তও। তবে নিজেদের পরিবর্তিত পরিকল্পনা কিংবা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বার্সা।

শেয়ার করুন :