৭৪ বছর পর এমন লজ্জা পেল বার্সেলোনা! ৭৪ বছর পর এমন লজ্জা পেল বার্সেলোনা! – SportsTour24

স্পোর্টসট্যুর ডেস্ক :: বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ম্যাচটির আগে অহংকারে যেন মাটিতে পা পড়ছিল না বার্সেলোনার। ভিদাল তো দাবি করে বসেছিলেন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখকে মাঠে নামতে হবে ‘বিশ্বের সেরা’ দলের বিপক্ষে!

 

ম্যাচ শেষে হয়তো মুখ লুকোনোর জায়গা খুঁজছিলেন তিনি! চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটের লড়াইয়ে জার্মানির বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নদের হাতে রীতিমতো নাস্তানাবুদ অবস্থা হয়েছে বার্সেলোনার। কাল রাতে পর্তুগালের লিসবনে ৮-২ গোলে বার্সাকে উড়িয়ে দিয়েছে বায়ার্ন।

 

এমন নজিরবিহীন লজ্জার মুখে বার্সেলোনা সর্বশেষ পড়েছিল ১৯৪৬ মৌসুমে। ৭৪ বছর পর আবার তাঁরা লজ্জায় মুখ লকুানোর অবস্থায় পড়লো।

 

১৯৪৬ মৌসুমে স্প্যানের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট কোপা দেল রে’র ম্যাচে সেভিয়ার বিপক্ষে ৮-০ গোলে হেরেছিল বার্সেলোনা।

 

কাল রাতে বায়ার্ন ম্যাচের প্রথমার্ধে ৪টি, পরে দ্বিতীয়ার্ধে আরো ৪টি গোল করে। ‘ভুল’ বলা হলো কিছুটা! ম্যাচের প্রথমার্ধে যে ৫ গোল হয়, সবক’টিই তো বায়ার্নের খেলোয়াড়দের পা থেকে এসেছিল! বিষয় হচ্ছে, এর মধ্যে একটি গোল ছিল আত্মঘাতী। ডেভিড আলবা নিজেদের জালে জড়িয়ে দিয়েছিলেন বল।

 

ম্যাচের প্রথমার্ধে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের হয়ে জোড়া গোল করেন থমাস মুলার (৪ ও ৩১ মিনিট)। এ অর্ধে ইভান পেরিসিচ (২১ মিনিট) ও সার্জ গ্ন্যাব্রি (২৭ মিনিটে) করেন বাকি দুটি গোল। চারটি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন রবার্ট লেভানডোভস্কি, সার্জ গ্ন্যাব্রি, লিয়ন গোরেৎজকা ও জোশুয়া কিমিখ।

 

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বায়ার্নের হয়ে ব্যবধান বাড়ান জোশুয়া কিমিখ (৬৩ মিনিট), রবার্ট লেভানডোভস্কি (৮২ মিনিট) এবং ফিলিপ কৌতিনহো (৮৫ ও ৮৯ মিনিট)। অ্যাসিস্ট করেন আলফনসো ডেভিস, কৌতিনহো, থমাস মুলার ও হার্নান্দেজ।

 

দ্বিতীয়ার্ধে জোরডি আলবার পাস থেকে বার্সার জন্য সান্ত্বনাসূচক একটি গোল করেন লুইস সুয়ারেজ।

 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক-আউটে এটাই কোনো দলের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়।

শেয়ার করুন :