সৌম্য-লিটনের কী হলো! সৌম্য-লিটনের কী হলো! – SportsTour24

স্পোর্টসট্যুর প্রতিবেদক :: চলতি বছরের মার্চে ফিরে যাওয়া যাক। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দেশের মাটিতে বাংলাদেশের সিরিজ। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে কী দুর্দান্ত, কী আগ্রাসীই না ছিলেন লিটন দাস! তিন ম্যাচে করেন দুটি সেঞ্চুরি। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে তামিম ইকবালকে টপকে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংসও খেলেন তিনি সেই সিরিজের শেষ ম্যাচে। এরপর টি-টোয়েন্টি সিরিজের উভয় ম্যাচেই লিটনের ব্যাট থেকে আসে ঝড়ো ফিফটি।

 

ফর্ম খারাপ ছিল না টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকারের। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অপরাজিত ৬২ রানের পর শেষটিতে করেন অপরাজিত ২০ রান।

 

করোনার আগেই সেই ফর্ম যেন সৌম্য-লিটনের জন্য এখন দূর অতীত! চলমান বিসিবি প্রেসিডেন্ট’স কাপে তাঁদের ব্যাট কথা বলছে না একটুও। রানখরায় ভুগছেন জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য এ দুই ক্রিকেটার।

 

প্রেসিডেন্ট’স কাপে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ একাদশের হয়ে খেলছেন লিটন দাস। চার ম্যাচে ইনিংস ওপেন করেন তিনি মোটে করেছেন ৪৩ রান! তাঁর ইনিংসগুলো ছিল এরকম- ৫, ২৭, ০ ও ১১!

 

একই দশা সৌম্য সরকারেরও। নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশের হয়ে খেলা এই ওপেনার করেছেন ৭, ৮, ৯ ও ২১ রান! মোটে ৪৫!

 

অথচ এ দুজনের ওপরই ভরসা করে দল। তাঁদের কাছ থেকে বড়, লম্বা ইনিংস এলে দলের কাজটাও সহজ হয়ে যায়।

 

কিন্তু বিসিবি প্রেসিডেন্ট’স কাপে জড়তা যেন ভর করেছে তাঁদের ব্যাটে। ভয়-ডরহীন ব্যাটিংয়ের জন্য খ্যাতি পাওয়া এ দুই ক্রিকেটার নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না।

 

করোনার কারণে ক্রিকেট থেকে লম্বা বিরতিতে মরচে পড়েছে সৌম্য-লিটনের ব্যাটে, ছন্দে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে উইকেটর অস্বাভাবিক আচরণ। মিরপুরের উইকেট এবার যেন ব্যাটসম্যানদের জন্য বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। রান করতে হাসফাঁস অবস্থা তাঁদের। যদিও ইনিংসের শুরুর দশ ওভার কাটিয়ে দিতে পারলে পরবর্তীতে রান করা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

 

কিন্তু প্রেসিডেন্ট’স কাপে সেই কাজটা টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা করতে পারছেন খুব সামান্যই।

শেয়ার করুন :