সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ – SportsTour24

স্পোর্টসট্যুর ডেস্ক :: জোড়া গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়লো বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। কিন্তু এরপর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ালো তাঁরা। শেষ পর্যন্ত অবশ্য গেল মৌসুমে ট্রেবল জয়ী বায়ার্ন মিউনিখকে আটকাতে পারেনি বরুশিয়া। জসুয়া কিমিচের ব্যবধান গড়া গোলে জার্মান সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বায়ার্ন।

 

কাল রাতে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় জার্মান ঘরোয়া ফুটবলে মৌসুমের প্রথম শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় বায়ার্ন মিউনিখ ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। বায়ার্ন জিতেছে ৩-২ গোলের ব্যবধানে।

 

এর আগে গেল বৃহস্পতিবার উয়েফা সুপার কাপে সেভিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। অর্থাৎ, মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে দুটি শিরোপা জিতেছে জার্মানির শীর্ষ দলটি।

 

গেল মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জিতেছিল বায়ার্ন। এবারও তাঁরা আছে দুর্দান্ত ফর্মে।

 

বরুশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ১৮তম মিনিটে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। ডান প্রান্ত থেকে সতীর্থের পাস থেকে গোলমুখে শট নেন ফরাসি মিডফিল্ডার তোলিসো। গোলরক্ষকের পা ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে বল ফিরে আসছিল। কিন্তু তোলিসো এগিয়ে গিয়ে জাল কাঁপিয়ে দেন।

 

টমাস মুলার ৩২তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। বাঁ প্রান্ত থেকে আলফোনসো ডেভিসের ক্রসে দারুণ হেডে গোল করেন জার্মান ফরোয়ার্ড।

 

মিনিট সাতেক পরে ম্যাচে ফিরে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। ডি-বক্সের মুখে হলান্ডের পাস পেয়ে বল নিয়ে খানিকটা এগিয়ে গিয়ে বুলেট গতির শটে গোল করেন দলটির জার্মান ফরোয়ার্ড ব্র্যান্ডট।

 

বরুশিয়ার দ্বিতীয় গোল আসে হলান্ডের পা থেকে। দ্বিতীয়ার্ধে, ৫৫তম মিনিটে টমাস দেলেনির রক্ষণচেরা পাস থেকে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন নরওয়ের এই তরুণ ফরোয়ার্ড। বাঁ পায়ের শটে বাকি কাজটুকু সারতে অসুবিধা হয়নি তাঁর।

 

২-২ গোল সমতায় জমে ওঠে ম্যাচ। খানিক পরে দারুণ সুযোগ পেয়েছিল বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। কিন্তু হলান্ডের জোরালো শট রুখে দেন বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ার।

 

৮২তম মিনিটে বরুশিয়ার আশার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন জসুয়া কিমিচ। মাঝমাঝে প্রতিপক্ষের একজনের পা থেকে বল কেড়ে নেন কিমিচ। বাড়িয়ে দেন লেভানডোভস্কির দিকে। সামনে এগিয়ে ফিরতি পাস পান কিমিচ। শট নিতে গিয়ে পড়ে যান এই জার্মান মিডফিল্ডার, শট ঠেকিয়ে দেন বরুশিয়ার গোলরক্ষক। কিন্তু কিমিচ পড়ে থাকা অবস্থাতেই বাঁ পায়ের আরেক শটে গোল করেন।

 

সুপার কাপ জয় করেই মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন মিউনিখ।

 

এ ম্যাচ দিয়েই ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের প্রথম নারী রেফারি বিবিয়ানা স্টাইনহাউস ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন। ২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ফিফার রেফারি প্যানেলে যুক্ত হয় তাঁর নাম। বুন্দেসলিগায় তিন বছর আগে থেকে ম্যাচ পরিচালনা শুরু করেন বিবিয়ানা। এবার টেনে দিলেন ক্যারিয়ারের সমাপ্তিরেখা।

শেয়ার করুন :