বাংলাদেশের নারী ফুটবলারের ওপর ‘হামলা’ বাংলাদেশের নারী ফুটবলারের ওপর ‘হামলা’ – SportsTour24

স্পোর্টসট্যুর প্রতিবেদক :: বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল দলের গোলরক্ষক রূপা আক্তার ‘অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন’। তার ওপর ‘হামলা’ হয়েছে। দা’র কোপ থেকে তিনি সামান্যের জন্য রক্ষা পেয়েছেন।

 

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় গাছ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে হামলা হয় রূপা আক্তারের ওপর। আজ মঙ্গলবার ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিণ মাউজবাগ ইউনিয়নের রামসিংহপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

এ বিষয়ে রূপা আক্তার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমাদের মাছের ফিশারির ওপর প্রতিবেশী দুলাল নায়েকের গাছ। গাছের পাতা পড়ে পুকুরে গ্যাস হয়ে মাছ মারা যায়। বিষয়টি দুলাল নায়েককে একাধিকবার জানানো হলেও তিনি গাছের কোন ডাল কাটেননি। সকালে দুলাল নায়েককে গাছের ডাল কাটার কথা বলা হলে তিনি বলেন, ‘তোমরা পারলে গাছ কেটে ফেল।’’

 

তিনি আরো বলেন,‘দুলাল নায়েকের কথা শুনে আমার ভাই দা নিয়ে গাছের ডাল কাটতে শুরু করে। পরে দুলাল নায়েকের ছেলে সজিব ও ভাই গোলাপ মিয়াসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে আমার ভাইকে মারতে আসেন। বাইরে ঝগড়া শুনে আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে মোবাইল দিয়ে ভিডিও করার সময় সজিব দিয়ে আমাকে কোপ দিতে উদ্যত হন। তখন আমার ভাই দা ধরে ফেলে। না হয় মারাত্মক বিপদ হতে পারতো। সজিব আমার মোবাইল ফোন নিয়ে গেছেন।’

 

ঘটনার বিষয়ে রূপা ধোবাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীগের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা দুলাল নায়েক বলেন, ‘রূপার বড় ভাই আমার অনুমতি ছাড়াই গাছের ডাল কাটছিল। আমার ছেলে ও ভাই এটা ফেরাতে যায়। এ সময় রূপা মোবাইল দিয়ে ভিডিও করায় আমার ছেলে সজিব বাধা দেয়। কিন্তু রূপাকে দা দিয়ে কেউ কোপ দেয়নি বা মোবাইল ফোনও নেয়নি।’

 

ধোবাউড়া থানার ওসি আলী আহমেদ মোল্লা জানান, ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

স্পোর্টসট্যুর২৪ডটকম/আরআই-কে

শেয়ার করুন :