বর্ণবাদ অভিযোগের জবাব দিলেন গ্রায়েম স্মিথ বর্ণবাদ অভিযোগের জবাব দিলেন গ্রায়েম স্মিথ – SportsTour24

স্পোর্টসট্যুর ডেস্ক :: দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটে বর্ণবাদ নিয়ে সমস্যা দীর্ঘদিনের। দল নির্বাচন থেকে শুরু করে প্রথম একাদশ নির্ধারণ, কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গের অসামঞ্জস্য চোখে পড়লেই শুরু হয়ে যায় বিতর্ক। এতোদিন প্রকাশ্যে জলঘোলা না হলেও যেদিন থেকে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে, বিতর্কের পালে নতুন করে হাওয়া লেগেছে তখন থেকেই।

 

সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কোনও না কোনও প্রাক্তন ক্রিকেটার জাতীয় দলে থাকাকালীন প্রকারান্তরে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলছেন। এমনই কিছু অভিযোগের আঙুল ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথের দিকেও, যিনি এই মুহূর্তে প্রোটিয়া বোর্ডের ডিরেক্টর অব ক্রিকেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন।

 

২০০৩ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা দলকে ১০৮টি টেস্টে ও ১৪৯টি ওয়ান ডে ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন গ্রায়েম স্মিথ। তাঁর সময়ে কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটারদের কার্যত দলের মধ্যে ‘কোয়ারেন্টিনে’ রাখা হতো বলে অভিযোগ ওঠেছে।

 

সাবেক পেসার মাখায়া এনটিনি কিছুদিন আগে বলেন, জাতীয় দলে সবার সঙ্গে থেকেও তিনি কার্যত একাকীত্বে ভুগতেন।

সাবেক উইকেটকিপার থামি সোলেকাইল দাবি করেন, স্মিথের জন্যই টেস্ট দল থেকে ছিটকে যেতে হয় তাঁকে।

কিন্তু গ্রায়েম স্মিথ নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। টুইটারে খোলা চিঠি লিখে বর্ণবাদের অভিযোগের জবাব দিয়েছেন তিনি।

 

প্রাক্তন প্রোটিয়া অধিনায়ক বলেন, ‘ক্রিকেটে একজন ক্যাপ্টেন কখনোই একার সিদ্ধান্তে দল পরিচালনা করেন না। টিম ম্যানেজমেন্টের মতামত সর্বদা প্রাধান্য পায়। তাছাড়া ক্যাপ্টেন শুধু দলের ভালোর কথাই বিবেচনা করেন। সবাইকে খুশি করে চলা কোনও ক্যাপ্টেনের পক্ষেই সম্ভব নয়।’

 

তিনি যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে কখনোই মাঠে দল নামাতেন না, এর স্বপক্ষে ল্যান্স ক্লুজনার, শন পোলকদের মতো কিংবদন্তিদের সাক্ষী হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন।

 

থামি সোলেকাইলের অভিযোগ নাকচ করে স্মিথ বলেন, ‘দলে একজনই উইকেটকিপার থাকে। তাই উইকেটকিপারদের প্রথম একাদশে একটা জায়গার জন্য লড়াই চালাতে হয়। প্রয়োজন অনুয়ায়ী ব্যাটসম্যান-বোলারদের কম্বিনেশন বদলানো যায়। তবে সচরাচর উইকেটকিপার বদল করা হয় না কেউ ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ না হলে।’

 

‘সব দলেই উইকেটকিপাররা দীর্ঘ সময় ধরে মাঠে নেমেছেন। সেটা শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা দলে হয়নি। দীর্ঘদিন সুযোগের অপেক্ষায় বসে থাকাটা হতাশার বটে, তবে তার জন্য ক্যাপ্টেনকে দোষারোপ করা ঠিক নয়।’

শেয়ার করুন :