বঙ্গবন্ধু কাপ: দর্শক প্রবেশের ঝুঁকি নিচ্ছে না বিসিবি বঙ্গবন্ধু কাপ: দর্শক প্রবেশের ঝুঁকি নিচ্ছে না বিসিবি – SportsTour24

স্পোর্টসট্যুর প্রতিবেদক :: নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে করোনাকালেই দর্শক ফিরেছেন বাংলাদেশের মাঠে। কিন্তু ফুটবেলে দর্শক ফিরলেও ক্রিকেটের মাঠে এখনই দর্শক প্রবেশের ঝুঁকি নিতে চায় না বিসিবি। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে তাই ম্যাচ হবে দর্শক ছাড়াই, শূন্য থাকবে গ্যালারি।

 

বাফুফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৮ হাজার টিকেট তারা ছেড়েছে দর্শকদের জন্য। কিন্তু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে খালি চোখে এর চেয়েও বেশি সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি টের পাওয়া গেছে। দর্শকদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো তোয়াক্কা ছিল না। মাস্ক পরেন নি অনেকেই, ছিল না সামাজিক দূরত্ব মানার বালাই। ফলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি থাকছেই।

 

এই ঝুঁকি নিতে চায় না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাফুফে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটা নিয়েও আছে বিসিবির সংশয়।

 

যেমনটি বলছিলেন বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস, ‘আপনাদের কী মনে হয়, কোভিড পরিস্থিতে এটা (দর্শক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া) কী ভালো হলো? জানি, এটা আবেগের ব্যাপার। অনেকদিন পর ফুটবল খেলা শুরু হয়েছে, সেখানে দর্শক এসেছে। কিন্তু আমরা দর্শক ও বাকি সবার কথা চিন্তা করেই (গ্যালারিতে) দর্শক অ্যালাউ করব না। এটাই আমাদের পরিকল্পনা, দর্শকশূন্য মাঠ থাকবে।’

 

ঝুঁকি না নিতে চাওয়া বিসিবি বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রাখছে না। টুর্নামেন্ট চলাকালে পাঁচটি দলের ক্রিকেটার, কোচ, কর্মকর্তা সবাইকে রাখা হবে হোটেলে জৈব-সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে। তবে হোটেলে ওঠার আগে সবাইকে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় নেগেটিভ হতে হবে। এরপর ২০ নভেম্বর থেকে হোটেলে ওঠা শুরু হবে।

 

টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াবে ২৪ নভেম্বর। কাল শনিবার টুর্নামেন্টের সূচি প্রকাশ করেছে বিসিবি। বেক্সিমকো ঢাকা ও মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে লড়াই। টুর্নামেন্টের ২৪ ম্যাচের প্রতিটিই হবে শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে।

 

এদিকে, শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মুশফিকুর রহিম, ইমরুল কায়েস, আল আমিন হোসেন, সৌম্য সরকার, মেহেদী হাসান মিরাজদের ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন চালিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে।

 

এই অনুশীলনের ক্ষেত্রে বিসিবির কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে বিসিবি ঝুঁকি নিয়ে মাঠে অনুশীলনে যাওয়া-আসার বিষয়টিকে নিরুৎসাহিত করছে।

 

জালাল ইউনুস বলেন, ‘কেউ যদি ঝুঁকি নিতে চায়, তাহলে করতে পারে (অনুশীলন)। আমরা চাই, যারা স্পন্সরদের অধীনে চলে এসেছে, সেসব খেলোয়াড়রা তাদের আয়োজনের মধ্যেই অনুশীলন করুক। কারণ, দুই-একজন ইতোমধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছেন। টুর্নামেন্টের সময় যাতে কেউ আক্রান্ত না হয়, সে জন্য তারা যেন বায়ো-বাবলে প্রবেশের পরই অনুশীলন করে।’

 

নানাবিধ সতর্কতার পরও ক্রিকেটাঙ্গনে করোনার ঢেউ লেগেছে। বর্তমানে জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার মুমিনুল হক ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাতীয় দলের নির্বাচক হাবিবুল বাশার আক্রান্ত। এর আগে মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাইফ হাসান, নাজমুল ইসলাম অপু, আবু জায়েদ চৌধুরী রাহীরা আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন।

শেয়ার করুন :