নকআউট: বার্সা-বায়ার্নের লড়াইয়ের পরিসংখ্যান নকআউট: বার্সা-বায়ার্নের লড়াইয়ের পরিসংখ্যান – SportsTour24

স্পোর্টসট্যুর ডেস্ক :: উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউটে ফের দেখা হচ্ছে বার্সেলোনা ও বায়ার্ন মিউনিখের। আগামী শুক্রবার পর্তুগালের লিসবনে দল দুটি মুখোমুখি হবে কোয়ার্টার ফাইনালে। বাংলাদেশ সময় রাত একটা শুরু হবে ম্যাচটি।

 

এবার করোনা পরিস্থিতিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে নিয়মের বদল ঘটেছে। দুই লেগের যে নিয়ম ছিল, সেটি এখন এক লেগেই নিষ্পত্তি হবে। অর্থাৎ, উভয় দল একবারই মুখোমুখি হবে, ভেন্যু থাকবে নিরপেক্ষ।

 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে এর আগে ছয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। তাতে বায়ার্নের জয় তিনটি, বার্সেলোনার দুটি। অন্য ম্যাচটি ড্র। তবে দুই লেগ মিলিয়ে বার্সা দু’বার নকআউট পর্ব পেরিয়েছে, বায়ার্ন একবার।

 

আরেকটি ম্যাচের আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউটে বার্সা-বায়ার্ন লড়াইয়ের পরিসংখ্যান দেখে নেয়া যেতে পারে।

 

২০০৮-০৯ কোয়ার্টার-ফাইনাল: বার্সেলোনার জয় >>

৮ এপ্রিল হয়েছিল প্রথম লেগের ম্যাচটি। বার্সার মাঠে। প্রথমার্ধেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল। মেসির জোড়া গোল, স্যামুয়েল ইতো ও থিয়েরি অঁরির একটি করে গোলের সুবাদে বার্সা জিতেছিল ৪-০ ব্যবধানে।

 

দ্বিতীয় লেগে বায়ার্নের মাঠে বার্সাকে হারাতে পারে নি স্বাগতিকরা। ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি। ৫-১ গোলে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে বার্সা।

ওই মৌসুমে বার্সা চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ ট্রেবল জিতেছিল।

 

২০১২-১৩ সেমিফাইনাল: বায়ার্নের জয় >>

২৩ এপ্রিল নিজেদের মাঠে বার্সাকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেয় জার্মানির দল বায়ার্ন মিউনিখ। টমাস মুলার জোড়া গোল আর মারিও গোটসে ও আরিয়েন রবেন একটি করে গোলে ওই জয় পেয়েছিল তাঁরা।

 

ফিরতি লেগে, ১ মে বার্সা নিজেদের মাঠে ৩-০ গোলে উড়ে যায় বায়ার্নের কাছে। আরিয়েন রবেন আর টমাস মুলার করেছিলেন দুটি গোল, অন্যটি আত্মঘাতী।

 

দুই লেগ মিলিয়ে ৭-০ অগ্রগামিতায় সেমিফাইনালে ওঠে বায়ার্ন মিউনিখ। ১৯৬৪ সালের পর এতো বড় ব্যবধানে কোনো দল সেমিতে ওঠে।

ওই মৌসুমে দুর্দান্ত খেলা বায়ার্ন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিজেদের করে নিয়েছিল।

 

২০১৪-১৫ সেমিফাইনাল: বার্সেলোনার জয় >>

৬ মে হয় ক্যাম্প নউয়ে প্রথম লেগের ম্যাচ। মেসির জোড়া গোল আর নেইমারের গোলে ৩-০ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সা।

 

ফিরতি লেগে নেইমারের জোড়া গোলের পরও ৩-২ গোলে হেরে যায় স্প্যানিশ ক্লাবটি। বেনাতিয়া, রবার্ত লেভানডোভস্কি ও টমাস মুলারের গোলে জয় নিশ্চিত করে বায়ার্ন।

 

কিন্তু দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৩ গোলে পিছিয়ে বায়ার্নকে বিদায় নিতে হয়। ওই মৌসুমে জুভেন্টাসকে ফাইনালে হারিয়ে শিরোপা জয়ী দলের নাম ছিল বার্সা।

শেয়ার করুন :