কাতার নয়, নেপাল নিয়েই মনোযোগী বাংলাদেশ কোচ কাতার নয়, নেপাল নিয়েই মনোযোগী বাংলাদেশ কোচ – SportsTour24

স্পোর্টসট্যুর প্রতিবেদক :: চলতি বছরের মার্চ-জুনে বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের যৌথ বাছাইয়ে বাংলাদেশের বাকি থাকা চারটি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ম্যাচগুলো পিছিয়ে যায় অক্টোবর-নভেম্বরে। কিন্তু সেপ্টেম্বরে এএফসি জানিয়ে দেয়, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় এশিয়ান অঞ্চলের বাছাইয়ের ম্যাচগুলো হবে আগামী বছরে।

 

বাছাইয়ে বাংলাদেশ নিজেদের মাঠে খেলবে ভারত, আফগানিস্তান ও ওমানের বিপক্ষে। আর কাতারের বিপক্ষে খেলতে হবে দোহায় গিয়ে।

 

এখন কাতার আগামী ডিসেম্বরের ৪ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে আগ্রহী। এজন্য তারা ফিফার অনুমোদন চেয়েছে। কাতার বাংলাদেশকেও এ বিষয়ে বলে রেখেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলাদেশ খেলতে সম্মত।

 

তবে আপাতত কাতারের বিপক্ষে ম্যাচ নয়, নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচের দিকেই মনোযোগ বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ জেমি ডের।

 

ঢাকায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আগামী ১৩ ও ১৭ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দুটি খেলবেন জামাল ভুঁইয়া-বিপলু আহমেদরা।

 

নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দুটিকে সামনে রেখে গেল ২৪ অক্টোবর থেকে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সোমবারও চলে অনুশীলন।

 

পরে জেমি ডে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আপাতত নেপালের দিকেই দলের মনোযোগ। আর কাতারের বিপক্ষে যদি খেলা হয়, তবে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচগুলো কাজে লাগবে।

 

‘আমরা কাতার ম্যাচ নিয়ে ভাবছি না। এটা এখনও নিশ্চিত হয়নি বা দুই পক্ষ সমঝোতায়ও পৌঁছায়নি। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু আমাদের মূল মনোযোগ নেপালের বিপক্ষে আসন্ন ম্যাচগুলো নিয়ে। এ মুহূর্তে এগুলোই আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

 

‘যদি কাতারের বিপক্ষে ম্যাচ হয়, তাহলে অবশ্যই নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি ওই ম্যাচগুলোর জন্য ভালো প্রস্তুতি হবে। কাতারে রওনা দেওয়ার আগে আমরা পুরো খেলার মধ্যে থাকব।’

 

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কাতারে গিয়ে কোয়ারেন্টিনের সময়ে অনুশীলন করতে চান জেমি ডে, ‘ওখানে গিয়ে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে আমাদের। সে দেশের নিয়ম অনুসারে ম্যাচের দুই সপ্তাহ আগে যেতে হবে। প্রত্যেক ফুটবলার ও স্টাফদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য নির্দিষ্ট সেই দেশের নির্দেশনা মানাটা আমাদের জরুরি। কোয়ারেন্টিনের সময় আমরা জিম ও অনুশীলনের সুবিধা চাইব। হোটেলে স্বাস্থ্যসুরক্ষার নিরাপত্তাসহ এসব সুবিধা থাকলে সেখানে যেতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’

 

কাতারের বিপক্ষে হোম ম্যাচে গেল বছরের অক্টোবরে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। ঢাকার মাঠে লড়াই করে সে ম্যাচে ২-০ গোলে হারেন সাদউদ্দিনরা। এবার কাতারের মাঠে গিয়ে খেলতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচটি হবে আরও কঠিন।

 

বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ জেমি ডে তা মানছেনও, ‘আমরা এবার কাতারে খেলতে যাব, এটা কঠিন ম্যাচ হবে। যদি খেলতে হয়, তাহলে এখান থেকে যতটা পারি প্রস্তুতি নিয়ে যাব। প্রস্তুতির জন্য অনেক সময় পাচ্ছি এবং আশা করি, কাতার ম্যাচের আগে কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগও পাব আমরা।’

শেয়ার করুন :